ঢাকা ০৮:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬, ৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
পঞ্চগড়ে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলামের উদ্যোগে ৭০ পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা: ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে পাল্টে গেল রাজনীতির সমীকরণ: বিএনপির প্রত্যাবর্তন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে জামায়াত জোটে যুক্ত এনসিপি ও এলডিপি, ভোটের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ উসকানির মুখেও ধৈর্য ধরার আহ্বান তারেক রহমানের জুলাইযোদ্ধা পরিচয়ে পরিচিত তাহরিমা জান্নাত সুরভী গ্রেফতার দেবীগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মা-বোনের আলাপ অনুষ্ঠিত দেবীগঞ্জে সামাজিক মাধ্যম ও এআই অপব্যবহার প্রতিরোধে গোলটেবিল বৈঠক ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: গ্রুপপর্বের ড্র প্রকাশ, উদ্বোধনী ম্যাচে মেক্সিকো–দক্ষিণ আফ্রিকা

তীব্র শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬ ৫৪ বার পড়া হয়েছে

নতুন বছরের শুরুতেই দেশের মানুষের জন্য কনকনে শীতের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। জানুয়ারি মাসজুড়ে দেশে একাধিক দফায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস উপস্থাপন করা হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ এবং এক থেকে দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও নদী অববাহিকাগুলোর জেলাগুলোতে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা অনেক ক্ষেত্রে বেলা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকতে পারে। তবে এ সময় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।
এর আগে ডিসেম্বর মাসের আবহাওয়ার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সারা দেশে বৃষ্টিপাত ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৯৯ শতাংশ কম। গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য শীত বাড়তি দুর্ভোগ ডেকে আনতে পারে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

তীব্র শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে

আপডেট সময় : ০৯:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

নতুন বছরের শুরুতেই দেশের মানুষের জন্য কনকনে শীতের সতর্কবার্তা দিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। জানুয়ারি মাসজুড়ে দেশে একাধিক দফায় শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে বলে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে। এতে উত্তরাঞ্চলের কিছু এলাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের আবহাওয়ার এই পূর্বাভাস উপস্থাপন করা হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, চলতি মাসে দেশে দুই থেকে তিনটি মৃদু থেকে মাঝারি মাত্রার শৈত্যপ্রবাহ এবং এক থেকে দুটি মাঝারি থেকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ আঘাত হানতে পারে।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, তীব্র শৈত্যপ্রবাহের সময় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করতে পারে। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গ ও নদী অববাহিকাগুলোর জেলাগুলোতে শীতের প্রকোপ তুলনামূলকভাবে বেশি অনুভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়া মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের অধিকাংশ এলাকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা পড়তে পারে, যা অনেক ক্ষেত্রে বেলা পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ঘন কুয়াশার কারণে দিন ও রাতের তাপমাত্রার পার্থক্য কমে গিয়ে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আবহাওয়া অধিদফতর আরও জানায়, জানুয়ারি মাসে সামগ্রিকভাবে দেশে বৃষ্টিপাত স্বাভাবিক পর্যায়ে থাকতে পারে। তবে এ সময় বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপ সৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।
এর আগে ডিসেম্বর মাসের আবহাওয়ার পর্যালোচনায় দেখা যায়, সারা দেশে বৃষ্টিপাত ছিল স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৯৯ শতাংশ কম। গত ৩১ ডিসেম্বর গোপালগঞ্জে মৌসুমের সর্বনিম্ন ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা বলছেন, জানুয়ারি মাসে গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শৈত্যপ্রবাহ চলাকালে জনজীবনে স্থবিরতা নেমে আসতে পারে। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য শীত বাড়তি দুর্ভোগ ডেকে আনতে পারে।