ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেজর সাদেক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নাশকতার প্রশিক্ষণের অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৫:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫ ৩৪ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ভাটারা থানাধীন একটি এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশিক্ষণের অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাদেকুল হক সাদেক এবং তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনের নাম উঠে এসেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশে একটি কমিউনিটি সেন্টারে সশস্ত্র ও অনলাইন যোগাযোগভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সাবেক সদস্যরাও ছিলেন।

তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মেজর সাদেক ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিতে চায়। বর্তমানে সেনা হেফাজতে থাকা মেজর সাদেককে পুলিশের হেফাজতে নিতে একটি অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিগন্যাল অ্যাপের মাধ্যমে একটি গোপন গ্রুপে এই কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

মেজর সাদেক ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে নাশকতার প্রশিক্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৫:১৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৪ অগাস্ট ২০২৫

রাজধানীর ভাটারা থানাধীন একটি এলাকায় নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশিক্ষণের অভিযোগে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাদেকুল হক সাদেক এবং তার স্ত্রী সুমাইয়া জাফরিনের নাম উঠে এসেছে। তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা একটি রাজনৈতিক দলের সমর্থকদের নিয়ে কয়েক মাস ধরে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালাচ্ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার পাশে একটি কমিউনিটি সেন্টারে সশস্ত্র ও অনলাইন যোগাযোগভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের সাবেক সদস্যরাও ছিলেন।

তদন্তের স্বার্থে পুলিশ মেজর সাদেক ও তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নিতে চায়। বর্তমানে সেনা হেফাজতে থাকা মেজর সাদেককে পুলিশের হেফাজতে নিতে একটি অনুরোধপত্র পাঠানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এই ঘটনায় এ পর্যন্ত প্রায় ৩০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সিগন্যাল অ্যাপের মাধ্যমে একটি গোপন গ্রুপে এই কার্যক্রম পরিচালনার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থাগুলো।