ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫, ১৪ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাংবাদিক নির্যাতনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রস্তাব

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫ ১৫ বার পড়া হয়েছে

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা, হুমকি বা হয়রানি করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে—এমন প্রস্তাবনা রয়েছে সদ্য প্রস্তুত ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ায়। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এর শাস্তি এক থেকে পাঁচ বছরের জেল, ন্যূনতম এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাংবাদিকরা প্রায়ই নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের শিকার হচ্ছেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন সরকারকে নতুন এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের সুপারিশ করে এবং প্রস্তাবিত খসড়া সংযুক্ত করে। পরবর্তীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় খসড়াটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের কাছে মতামতের জন্য পাঠিয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রেস-১) মো. সোলেমান আলী জানান, প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে অধ্যাদেশটিকে আরও পরিমার্জন করা হবে।

খসড়ার ভূমিকা অংশে বলা হয়েছে—সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২, ৩৯ ও ৪০ অনুযায়ী জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা, চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা এবং পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের জন্য পর্যাপ্ত আইনগত সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় বিধান করা জরুরি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সাংবাদিক নির্যাতনে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৯:৫৪:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অগাস্ট ২০২৫

পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় কোনো সাংবাদিকের ওপর সহিংসতা, হুমকি বা হয়রানি করা হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে—এমন প্রস্তাবনা রয়েছে সদ্য প্রস্তুত ‘সাংবাদিকতার অধিকার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়ায়। অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী এর শাস্তি এক থেকে পাঁচ বছরের জেল, ন্যূনতম এক লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাংবাদিকরা প্রায়ই নির্যাতন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের শিকার হচ্ছেন। এ বাস্তবতা বিবেচনায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন সরকারকে নতুন এই অধ্যাদেশ প্রণয়নের সুপারিশ করে এবং প্রস্তাবিত খসড়া সংযুক্ত করে। পরবর্তীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় খসড়াটি পর্যালোচনা ও চূড়ান্ত করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অংশীজনদের কাছে মতামতের জন্য পাঠিয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব (প্রেস-১) মো. সোলেমান আলী জানান, প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে অধ্যাদেশটিকে আরও পরিমার্জন করা হবে।

খসড়ার ভূমিকা অংশে বলা হয়েছে—সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৩২, ৩৯ ও ৪০ অনুযায়ী জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতা, চিন্তা ও বাকস্বাধীনতা এবং পেশা বেছে নেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সাংবাদিকদের জন্য পর্যাপ্ত আইনগত সুরক্ষা ও প্রয়োজনীয় বিধান করা জরুরি।