সেনা কর্মকর্তাদের বিচার: সামরিক আইন নাকি ফৌজদারি আইন: উঠেছে প্রশ্ন
- আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ১১৮ বার পড়া হয়েছে
সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার কোন আইনে হবে—সামরিক বাহিনীর নিজস্ব আইনে সামরিক আদালতে, নাকি প্রচলিত ফৌজদারি আইনে—এ নিয়ে দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী আনে। সংশোধন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে তিনি সরকারি চাকরিতে থাকলে সেই পদে থাকতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনালের একাধিক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, এই বিধান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
এই ইস্যুতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, এ বিষয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য নেই।
আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় এর আগে এমন নজির রয়েছে। ২০১৪ সালের নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় র্যাবের অধীনস্থ তৎকালীন তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। তাদের সেনাবাহিনী থেকে অবসরে পাঠানোর পর বিচার হয় প্রচলিত ফৌজদারি আইনে।
সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ করলে তার বিচার সামরিক আইনে হবে। তবে সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে তার বিচার সাধারণ আদালতে হতে কোনো বাধা নেই। অতীতে এর একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে।”
সূত্রঃ বিবিসি বাংলা














