ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেবীগঞ্জে ইউএনও লাঞ্ছনার ঘটনায় জান্নাতুন মাওয়া ফিলিং স্টেশনের কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ পঞ্চগড়ে ছাত্রদল নেতা আরিফুল ইসলামের উদ্যোগে ৭০ পরিবারে ঈদ উপহার বিতরণ তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন মন্ত্রিসভা: ২৫ পূর্ণমন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী পঞ্চগড়ে পাল্টে গেল রাজনীতির সমীকরণ: বিএনপির প্রত্যাবর্তন তীব্র শৈত্যপ্রবাহের শঙ্কা, কিছু এলাকায় তাপমাত্রা নামতে পারে ৪ ডিগ্রিতে জামায়াত জোটে যুক্ত এনসিপি ও এলডিপি, ভোটের রাজনীতিতে নতুন মেরুকরণ উসকানির মুখেও ধৈর্য ধরার আহ্বান তারেক রহমানের জুলাইযোদ্ধা পরিচয়ে পরিচিত তাহরিমা জান্নাত সুরভী গ্রেফতার দেবীগঞ্জে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের মা-বোনের আলাপ অনুষ্ঠিত দেবীগঞ্জে সামাজিক মাধ্যম ও এআই অপব্যবহার প্রতিরোধে গোলটেবিল বৈঠক

সেনা কর্মকর্তাদের বিচার: সামরিক আইন নাকি ফৌজদারি আইন: উঠেছে প্রশ্ন

ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫ ১৩৩ বার পড়া হয়েছে

সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার কোন আইনে হবে—সামরিক বাহিনীর নিজস্ব আইনে সামরিক আদালতে, নাকি প্রচলিত ফৌজদারি আইনে—এ নিয়ে দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী আনে। সংশোধন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে তিনি সরকারি চাকরিতে থাকলে সেই পদে থাকতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনালের একাধিক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, এই বিধান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এই ইস্যুতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, এ বিষয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য নেই।

আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় এর আগে এমন নজির রয়েছে। ২০১৪ সালের নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় র‍্যাবের অধীনস্থ তৎকালীন তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। তাদের সেনাবাহিনী থেকে অবসরে পাঠানোর পর বিচার হয় প্রচলিত ফৌজদারি আইনে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ করলে তার বিচার সামরিক আইনে হবে। তবে সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে তার বিচার সাধারণ আদালতে হতে কোনো বাধা নেই। অতীতে এর একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে।”

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

সেনা কর্মকর্তাদের বিচার: সামরিক আইন নাকি ফৌজদারি আইন: উঠেছে প্রশ্ন

আপডেট সময় : ০৮:০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বিচার কোন আইনে হবে—সামরিক বাহিনীর নিজস্ব আইনে সামরিক আদালতে, নাকি প্রচলিত ফৌজদারি আইনে—এ নিয়ে দেশে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সম্প্রতি অন্তর্বর্তী সরকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে সংশোধনী আনে। সংশোধন অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনালে কারও বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল হলে তিনি সরকারি চাকরিতে থাকলে সেই পদে থাকতে পারবেন না। ট্রাইব্যুনালের একাধিক প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, এই বিধান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

এই ইস্যুতে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের কাছে জানতে চাইলে তারা জানায়, এ বিষয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য নেই।

আইনজীবী ও সাবেক সেনা কর্মকর্তারা বলছেন, বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থায় এর আগে এমন নজির রয়েছে। ২০১৪ সালের নারায়ণগঞ্জের সাত খুন মামলায় র‍্যাবের অধীনস্থ তৎকালীন তিন সেনা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল। তাদের সেনাবাহিনী থেকে অবসরে পাঠানোর পর বিচার হয় প্রচলিত ফৌজদারি আইনে।

সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, “সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে অপরাধ করলে তার বিচার সামরিক আইনে হবে। তবে সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে অপরাধ করলে তার বিচার সাধারণ আদালতে হতে কোনো বাধা নেই। অতীতে এর একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে।”

সূত্রঃ বিবিসি বাংলা