১৫ সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ
- আপডেট সময় : ০৪:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫ ৬৯ বার পড়া হয়েছে
গুম ও হত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া তিনটি মামলায় ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে পলাতক আসামি শেখ হাসিনা, তারেক সিদ্দিকীসহ অন্যদের হাজির হতে সংবাদপত্রে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য সদস্যরা হলেন বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
কারাগারে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন র্যাবের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কামরুল হাসান, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহাবুব আলম, ব্রিগেডিয়ার কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও কর্নেল আনোয়ার লতিফ খান (অবসরকালীন ছুটিতে)।
এছাড়া র্যাবের গোয়েন্দা শাখার সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল ইসলাম সুমন, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সারওয়ার বিন কাশেম, লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ রেদোয়ানুল ইসলাম, বিজিবির সাবেক কর্মকর্তা মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম, ডিজিএফআইয়ের সাবেক তিন পরিচালক মেজর জেনারেল শেখ মো. সরওয়ার হোসেন, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান সিদ্দিকী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমেদ তানভির মাজাহার সিদ্দিকীকেও কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
এর আগে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে আনা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গ্রেপ্তার করে ট্রাইব্যুনালে হাজির করার পর আদালত তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এখন কোন কারাগারে তাদের রাখা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে কারা কর্তৃপক্ষ।
আগামী ৫ নভেম্বর রামপুরায় গণহত্যার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার পরবর্তী শুনানি এবং ২০ নভেম্বর গুমের দুই মামলার শুনানির দিন নির্ধারণ করেছে ট্রাইব্যুনাল।














